1. admin@dainikdurnitirsongbad.com : admin_news :
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গঙ্গাচড়ায় ৩০০ দুস্থ পরিবারের পাশে জেলা পরিষদ নিজস্ব অর্থায়নে কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ কৃষকদল নেতার পরিবারের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যকে মারধরের অভিযোগ রংপুরে এসপিজিআরসি নেতা এম. নাসিম খানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত আরপিএমপিতে বিদায় সংবর্ধনায় “আইনের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নয়” — নতুন ডিআইজি আবদুল মাবুদ রংপুরের ৪ খুনের আগেই কমিশনারের পদায়ন, বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে একটি মহল রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যাকাণ্ড: আসামির শার্ট নিয়ে পুলিশের কর্মকর্তাকে ঘিরে নতুন আলোচনা রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যা নতুন তথ্য দিলো ফরেনসিক বিভাগ। রংপুরে সাংবাদিক লিয়াজ হোসেনের অপারেশন আজ, দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় চার খুন, রাতভর লাশের সঙ্গে ছিল ঘাতকরা: পুলিশ লালমনিরহাটে র‌্যাব-১৩ অভিযানে ১১ কেজি গাঁজাসহ চার নারী গ্রেপ্তার

ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় চার খুন, রাতভর লাশের সঙ্গে ছিল ঘাতকরা: পুলিশ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৩ অগাস্ট, ২০২৬
  • ৪৫ বার পাঠ করা হয়েছে
62

রংপুর প্রতিনিধিঃ রংপুর  নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় দুই মামাতো ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।

 

 

পুলিশের দাবি, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনের দৃশ্য দেখে ফেলায় পরিচয় ফাঁসের ভয়ে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে একে একে হত্যা করে তারা। শুধু তাই নয়, চারজনকে হত্যার পরও ওই বাড়িতে রাত কাটায় দুই ঘাতক। পরদিন সকালে গোসল ও খাওয়া শেষে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় মাটির নিচে পুঁতে রাখে তারা।

 

 

গ্রেপ্তার দুইজন হলেন একই এলাকার বাসিন্দা মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস। রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল মাবুদ।

 

 

পুলিশ কমিশনার জানান, মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করছিলেন। এসময় তাদের দেখে ফেলেন গণপতি। নিজেদের পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় প্রথমে তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর সিঁড়িতে তার স্ত্রী প্রতিলতা চক্রবর্তীকেও একইভাবে হত্যা করে তারা। পরে মাস্টার্স পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রাপ্তির গলায় কাপড় ও রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। সবশেষে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মকেও শ্বাসরোধে হত্যা করে ঘাতকরা।

 

 

শনিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যায় নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রাপ্তি ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

 

ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং দুইজনকে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুইজন হত্যার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

 

এদিকে চারজনকে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।এ ঘটনায় রংপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
কারিগরি সহযোগিতায়: জাগো হোষ্টার বিডি